মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ভৌগলিক অবস্থান

 

অবস্থান: চারঘাট উপজেলা ২৪.৬০ এবং ২৫.১০ অক্ষাংশ এবং ৮৮.২০ এবং ৮৯.২৩ ডিগ্রী দাঘিমাংশ এর মধ্যে অবস্থিত।

 

 

সীমানা :এর উত্তরে পবা, পুঠিয়া ও পূর্বে বাগাতিপাড়া উপজেলা । পশ্চিমে উত্তর বংগের মুর্শিদাবাদ এবং দক্ষিনে বাঘা উপজেলা অবস্থিত

 

 

আবহাওয়া:এই উপজেলার বার্ষিক বৃষ্টিপাত গড় ৪৫ ইঞ্চির নীচে। এতদসত্বেও এই হার পরিবর্তনশীল অর্থাৎ কিছুটা উঠানামা করে। চরম উষ্ণ আবহাওয়া, মাতাধিক্য আদ্রতা, মাঝামাঝি বৃষ্টিপাত এবং ঋতু বৈচিত্রতার সমারহের কারনে এই সহানকে গ্রীষ্মীয় মৌসুমী এলাকার আদর্শ সহান বলে আখ্যায়িত করলেও অত্যুক্তি হবে না। গ্রীষ্মের সুচনা হয় এপ্রিল এবং মে মাসের দিকে। তখন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৯০ ডিগ্রী ফারেন হাইট এবং সর্ব নিম্ন গড় তাপমাত্রা ৬৫ ডিগ্রী ফারেন হাইট থাকে। এলাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বলতে এপ্রিল, মে এবং জুন মাসের প্রথমার্থের তাপমাত্রাকে এবং সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা জানুয়ারী মাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা গড় ৭৬ ডিগ্রী ফারেন হাইট এবং সর্বনিম্ন গড় তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রী ফারেন হাইট।

 

 

ভূমি পরিচিতি : উপজেলার অধিকাংশটাই সমতল ভূমি। প্রধান নদী বড়াল পদ্মা নদী হতে উৎপত্তি হয়ে ৪২ কিঃমিঃ পূর্ব দিকে বাগাতিপাড়া উপজেলার বরাবর চলে গেছে। চমৎকার উর্বর ভূমি এবং প্রাকৃতির বিন্যাস উপজেলাকে সুন্দরতর করে তুলেছে।

 

 

যোগাযোগ ব্যবসহাঃ উপজেলা সদর কার্যালয় থেকে রাজাশাহী শহরের দুরত্ব ৩২ কিঃ মিঃ। সড়ক পথে বাস এবং মিনি কোচে রাজশাহী যাতায়াত করা যায়। এছাড়াও চারঘাট হতে ৮ কিঃমিঃ দুরে সারদাহ এবং ১০ কিঃমিঃ দুরে নন্দনগাছি রেলষ্টেশন। ষ্টেশনগুলো থেকে রিক্সা, ভ্যান সহ অন্যান্য যানবাহনে উপজেলায় আসা যাওয়া করা যায়। উপজেলার সংগে ৬টি ইউনিয়নের যোগাযোগের মাধ্যম পাকা/ আধাপাকা ও কাঁচা রাস্তা। টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবসহার জন্য টেলিফোন এক্সচেঞ্জ সহ বিভিন্ন মোবাইল ফোনের টাওয়ার বিভিন্ন সহানে সহাপিত হয়েছে। বতমানে চারঘাট উপজেলা টেলিফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৭৭টি। চারঘাট উপজেলা নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর আওতাধীন। বর্তমানে চারঘাটে পল্লী বিদ্যুতের একটি আঞ্চলিক অফিস হয়েছে। বর্তমান বিদ্যুৎ ব্যবসহা থেকে উন্নত বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবসহা চালু করার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ব্যপক কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

 

 

প্রধান উৎপাদিত কৃষি শিল্পঃ চারঘাট উপজেলা প্রধানতঃ খয়ের চাষের জন্য বিখ্যাত। খয়ের শিলপ‘ অত্যান্ত লাভজনক। সাধারণত শীত মৌসুমে এই শিল্পের শ্রমিকরা রাতদিন পরিশ্রম করে নানা প্রকারের খয়ের প্রস্তুত করে থাকে। খয়ের গাছ উপযূক্ত হলে ভিতরের সার অংশটুকু টুকরা টুকরা করে কেটে কড়ায়ে সিদ্ধ করে এর রস হতে খয়ের উৎপাদন হয়। আখ এই এলাকার প্রধান কৃষি । এখানে প্রচুর আখ হয়। আম উৎপাদন ভাল হওয়ায় অনেকেই বাগান সৃজন করে আম উৎপাদন করছে। বর্তমানে আমের আবাদ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ধান চাষ কম হয় বলে চারঘাট উপজেলা খাদ্য ঘাটতি এলাকা বলে পরিগনিত।


Share with :
Facebook Twitter